চাঁদপুরে সরকারি শিশু পরিবারের শিশুরা নেচে গেয়ে পিঠা উৎসবে মেতেছে। এতে হরেক রকমের পিঠা তৈরি করে তা উপস্থাপন করেছে উপস্থিত অতিথিদের সামনে। এ সময় সারি সারি সাজানো বাহারি পিঠা দেখে আমন্ত্রিত অতিথিদের মনও খুশিতে ভরে উঠে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাঁদপুর সদরের বাবুরহাট এলাকার সরকারি শিশু পরিবারে প্রায় দুই ঘন্টা এই পিঠা উৎসব চলে।
উৎসবের শুরুতে শিশু পরিবারে আশ্রয় পাওয়া অভিভাবকহীন এসব শিশুরা নেচে গেয়ে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানায়। এ সময় আবহমান বাংলার অন্যতম অনুসঙ্গ পিঠা নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করে তারা। জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে এই পিঠা উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ।
অন্যদের মধ্যে বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত জেলা (সার্বিক) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম দুলাল পাটোয়ারী, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকার, সহকারী পরিচালক ফিরোজ আহমেদ প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সরকারি শিশু পরিবারের তত্বাবধায়ক মনিরুল ইসলাম। এতে সরকারি প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও চাঁদপুরের নানাস্তরের মানুষজন যোগ দেন।
উৎসবে অংশ নেওয়া শিশুরা জানায়, বছরের এমন একটি দিনে জামাই পিঠাসহ সুস্বাদু হরেক রমকের পিঠা তারা নিজেরাই তৈরি করেছে। চালের গুড়া, নারকেল, গুড়সহ নানা উপকরণ দিয়ে তৈরি বাহারি নামে পরিচিত এসব পিঠা খেতেও বেশ মজা।
এদিকে জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক রজত শুভ্র সরকার বলেন, পিঠাসহ নানা আয়োজনে শিশুদের অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের মনকে সতেজ রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ বলেন, আবহমান বাংলার চিরচেনা এসব অনুসঙ্গের সঙ্গে পরিচিত করতে এমন আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাবে জেলা প্রশাসন। শুধু তাই নয়, এসব অনাথ শিশুর জন্য উন্নত ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে সবধরণের ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। অনুষ্ঠানে প্রায় দুই শ শিশু অংশ নেয়।
বিগত ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত তথনকার অনাথ আশ্রয় বর্তমানে চাঁদপুর সরকারি শিশু পরিবারের প্রায় দুই শ শিশু বসবাস করছে। যাদের সবাই কন্যা শিশু। এরা সবাই প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে কলেজ পর্যন্ত পড়াশোনা করছে।
সূত্রঃ কালের কন্ঠ অনলাইন
লিংকঃ https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2021/02/02/1001186?fbclid=IwAR0UIwVVBsob7slhQIVp3PiIyIpG_WRIVD890HOnakTHv-NZG0cRYrKAsqc
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস